ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​‘জং ধরা হ্যান্ডকাফে রক্তাক্ত হাত’ বলে ভি চিহ্ন দেখালেন পলক

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৮-০৯-২০২৬ ০৫:১৩:৩২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৮-০৯-২০২৬ ০৫:১৩:৩২ অপরাহ্ন
​‘জং ধরা হ্যান্ডকাফে রক্তাক্ত হাত’ বলে ভি চিহ্ন দেখালেন পলক ​ছবি: সংগৃহীত
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় আদালতে হাজিরা শেষে প্রিজনভ্যানে করে কারাগারে ফেরত নেওয়ার সময় ‘জং ধরা হ্যান্ডকাফে রক্তাক্ত হাত’ বলে মন্তব্য করেন এবং আঙুল দিয়ে ভি চিহ্ন দেখান সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে হাজিরা দেন পলক। 

হাজিরা শেষে তাকে আদালতের হাজতখানা থেকে বের করে কারাগারে পাঠানোর সময় দুই হাত দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘জং ধরা হ্যান্ডকাফে রক্তাক্ত হচ্ছে হাত।’ পরে তিনি ভি চিহ্ন দেখান।

এদিন দুদকের করা মামলাটিতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে দুদক প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় আদালত ২৩ নভেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেন। পরে পুলিশি পাহারায় পলককে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

পরে পলকের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পলক কারাগারে রয়েছেন। বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে এবং তার ওপর নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।

আইনজীবী দাবি করেন, পলককে জামিন দেওয়া হচ্ছে না এবং তার মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘জং ধরা হ্যান্ডকাফে রক্তাক্ত হাত’—এ কথা বলে পলক বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট পলককে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। একই বছরের ১২ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যক্তিস্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৮ কোটি ৭৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন পলক।

এ ছাড়া তার নামে থাকা ২৫টি ব্যাংক হিসাবে ৩২ কোটি ৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা জমা এবং ২৯ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার টাকা অস্বাভাবিকভাবে উত্তোলনের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে মানিলন্ডারিং এবং অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বা সম্পদের উৎস গোপন বা আড়াল করতে তা রূপান্তর, স্থানান্তর ও হস্তান্তরের অভিযোগও রয়েছে।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচকে/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ